বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৮:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী প্রকৌশলী সাইদুর রহমান ষড়যন্ত্রের শিকার আমরা ক্ষমতা হস্তান্তরে প্রস্তুত: প্রধান উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা হবে ৯৩৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা ব্যয়ে দুই জাহাজ কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার প্রথম সপ্তাহে কোটি টাকা ছাড়িয়েছে মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান-অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এশিয়া কাপের দল ঘোষণা প্রধান উপদেষ্টা আগামীকাল জুলাই ঘোষণাপত্র উপস্থাপন করবেন মাইলস্টোন ট্রাজেডি: রোগীদের দেখতে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে প্রধান উপদেষ্টা শীঘ্রই নতুনভাবে আসছে passnotebd.com প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব বাড়ছে ক্যামিকেলের কারণে নদীর পানি ব্যবহারের অয্যেগ্য প্রকাশিত সংবাদের যুবদল নেতা হাজী কাওছারের প্রতিবাদ

হাসপাতালের অর্ধেকের বেশি রোগী গ্রামের

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২০৯ জন দেখেছেন
আপডেট : জুলাই ৫, ২০২১

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, “এখন যে সংক্রমণ হচ্ছে তা কমিউনিটিতে ছড়িয়ে গেছে। সংক্রমণ গ্রামের লোকজনের মধ্যে বেশি হচ্ছে। আমাদের কাছে যে হিসাব আছে, তাতে আমরা দেখতে পাচ্ছি ৫০ শতাংশের বেশি রোগী গ্রাম থেকে আসছে।”

ডা. খুরশীদ আলম বলেন, বর্ষা মৌসুম চলায় করোনাভাইরাস আক্রান্ত হলেও মানুষ একে জ্বর, সর্দি-কাশি ভাবছেন। সে কারণে হাসপাতালে আসছে কম। সময়মত চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু বেশি হচ্ছে।

“আমরা সবগুলো উপজেলায় কথা বলেছি। সবার পর্যবেক্ষণ একটাই, রোগীদের অনেকেই অক্সিজেন স্যাচুরেশন কমে ৪০-৫০ এ নেমে গেলে হাসপাতালে আসছেন। অক্সিজেন স্যাচুরেশন কমে গেলে ব্রেইন ড্যামেজ আগেই হয়ে যায়। এ ধরনের রোগীদের বাঁচানো খুব কঠিন হয়। গ্রামের রোগীরা অসতর্ক, গ্রামের বয়স্ক মানুষ হাসপাতালে আসেন অনেক পরে, এ কারণে মৃত্যুর হার বেশি হচ্ছে।

এপ্রিল প্রথম দেশে করোনাভাইরাসের ডেল্টা ধরনের উপস্থিতি পাওয়া যায়। এপ্রিলের পর থেকেই করোনাভাইরাসের বিস্তার দ্রুত বাড়তে থাকে।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-আইডিসিআর রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, জুন মাসে দেশে কোভিড-১৯ রোগীদের নমুনা থেকে ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স করে দেখা গেছে, ৭৮ শতাংশই ডেল্টা ধরনে আক্রান্ত।

এর আগের মে মাসে সংগৃহীত নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স করে ৪৫ শতাংশে ভারতে উদ্ভূত করোনাভাইরাসের এ ধরনটি পাওয়া গিয়েছিল।

দেশে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা হু হু করে বাড়তে থাকায় গত ১ জুলাই থেকে সারা দেশে কঠোর বিধি-নিষেধ জারি করা হয়েছে। রোববার সরকারের এক আদেশে এসব বিধিনিষেধের মেয়াদ এক সপ্তাহ বাড়িয়ে ১৪ তারিখ মধ্যরাত পর্যন্ত বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছে।

লকডাউন শুরুর আগের দিন ৩০ জুন রেকর্ড ৮৮২২ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। পরের চার দিনের মধ্যে তিন দিনই শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল আট আজারের ওপরে। রোববার পর্যন্ত দেশে সব মিলিয়ে মোট ৯ লাখ ৪৪ হাজার মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়েছে।

আর ২৭ জুন থেকে ৪ জুলাই, এই আট দিনে করোনাভাইরাসে মোট ১০১২ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তাতে দেশে কোভিডে মৃত্যুর সংখ্যা ১৫ হাজারের মাইলফলক ছাড়িয়ে গেছে রোববার।

রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি খুলনা ও রাজশাহীতে সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে। ঢাকার চেয়েও খুলনা বিভাগে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি থাকছে গত কয়েক দিন ধরে।

রোববার দেশে রেকর্ড ১৫৩ জনের মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, যাদের এক তৃতীয়াংশই ছিলেন খুলনা বিভাগের বাসিন্দা।


অন্যান্য সংবাদ