বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৭:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী প্রকৌশলী সাইদুর রহমান ষড়যন্ত্রের শিকার আমরা ক্ষমতা হস্তান্তরে প্রস্তুত: প্রধান উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা হবে ৯৩৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা ব্যয়ে দুই জাহাজ কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার প্রথম সপ্তাহে কোটি টাকা ছাড়িয়েছে মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান-অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এশিয়া কাপের দল ঘোষণা প্রধান উপদেষ্টা আগামীকাল জুলাই ঘোষণাপত্র উপস্থাপন করবেন মাইলস্টোন ট্রাজেডি: রোগীদের দেখতে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে প্রধান উপদেষ্টা শীঘ্রই নতুনভাবে আসছে passnotebd.com প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব বাড়ছে ক্যামিকেলের কারণে নদীর পানি ব্যবহারের অয্যেগ্য প্রকাশিত সংবাদের যুবদল নেতা হাজী কাওছারের প্রতিবাদ

দাম কমলেও ক্রেতা নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪৯ জন দেখেছেন
আপডেট : জুলাই ১, ২০২১

লকডাউনের কারণে বাজারে দাম কমেছে মুরগির । কিন্তু বাজারে ক্রেতা না থাকায় হতাশ ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, প্রথম দিনে যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে দু’একদিন পরে এর প্রভাব ব্যাপকভাবে পড়বে, তখন আমাদের কী অবস্থা হবে।

শুক্রবার  (২ জুলাই) সকালে রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বরে মুরগি ও মাছের বাজার ঘুরে ক্রেতাশূন্য চিত্র দেখা গেছে।

সামাদ নামের এক মুরগি ব্যবসায়ী জানান, লকডাউনের প্রভাবে মুরগির দাম বাড়েনি। বরং গত কয়েকদিনের তুলনায় দাম কিছুটা কমেছে। আমরা সোনালী মুরগি আজ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। দু’তিনদিন আগেও এই মুরগিই ২৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি করেছি।

তিনি আরও বলেন, সরকারের লকডাউনে ব্যবসায়ীদের বিপদে পড়তে হবে। ঢাকার বাইরে থেকে মুরগি আনতে এরইমধ্যে ভাড়া বেড়ে গেছে। আজ সকাল থেকে মাত্র একজন ক্রেতার কাছে ৫৫০ টাকার মুরগি বিক্রি করেছি। অন্যান্য দিন এই সময়ের মধ্যেই ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার মুরগি বিক্রি হয়ে যায়।

পাশেই আরেক ব্যবসায়ী বলেন, মুরগির দাম না বাড়লেও কবুতরের বাচ্চার দাম বেড়েছে। আগে কবুতরের বাচ্চা প্রতি পিস ১২০ টাকায় বিক্রি করতাম। আজ থেকে ১৫০ টাকা পিস বিক্রি করতে হচ্ছে। কারণ চাহিদার তুলনায় সরবরাহ সংকটে পড়তে হবে আমাদের।

মাছের দাম কিছুটা কমলেও ক্রেতা সংকট রয়েছে
এদিকে রুই, ইলিশের দাম কিছুটা কমলেও কিছুকিছু ছোট মাছের দাম বেড়েছে। তবে ক্রেতা না থাকায় চিন্তায় পড়েছেন মাছ ব্যবসায়ীরাও।

সুনীল নামের এক মাছ ব্যবসায়ী বলেন, রুই মাছের দাম কমেছে। তবে চাহিদা অনুযায়ী আজ মাছ আসেনি। আমাদের মাছ বিক্রি নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু মাছ আসতে হবে তো। আজ দেখেন মাত্র কয়েকটা মাছ পেয়েছি। আজ কেজি প্রতি রুই মাছ ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য দিন এই মাছ ২৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি করি।

ইলিশ মাছ ব্যবসায়ী শরিফ বলেন, ইলিশের দাম কমে গেছে। আমার কাছের এই ইলিশ অন্যান্য দিন এক হাজার থেকে ১১০০ টাকায় বিক্রি করতাম। আজ ৯০০ টাকায় বিক্রি করছি। তাও সকাল থেকে ক্রেতা নেই।

বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কচুরলতি ৬০ টাকা, পটল ও ঢেঁড়শ ৪০ থেকে ৬০ টাকা, বরবটি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কচুমুখী ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। ধুন্দুল বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঝিঙার কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা।

সবজি বিক্রেতা লতিফ ইসলাম বলেন, প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, চাল কুমড়া (জালি) প্রতি পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কাঁচকলার হালি ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং পেঁপের কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।


অন্যান্য সংবাদ