বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৯:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী প্রকৌশলী সাইদুর রহমান ষড়যন্ত্রের শিকার আমরা ক্ষমতা হস্তান্তরে প্রস্তুত: প্রধান উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা হবে ৯৩৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা ব্যয়ে দুই জাহাজ কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার প্রথম সপ্তাহে কোটি টাকা ছাড়িয়েছে মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান-অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এশিয়া কাপের দল ঘোষণা প্রধান উপদেষ্টা আগামীকাল জুলাই ঘোষণাপত্র উপস্থাপন করবেন মাইলস্টোন ট্রাজেডি: রোগীদের দেখতে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে প্রধান উপদেষ্টা শীঘ্রই নতুনভাবে আসছে passnotebd.com প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব বাড়ছে ক্যামিকেলের কারণে নদীর পানি ব্যবহারের অয্যেগ্য প্রকাশিত সংবাদের যুবদল নেতা হাজী কাওছারের প্রতিবাদ

তিন লক্ষ্য পূরণে কাজ করবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর

রিপোর্টারের নাম : / ৭ জন দেখেছেন
আপডেট : জুলাই ১২, ২০২২

তিনটি লক্ষ্য পূরণের জন্য কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নিয়োগ পাওয়া গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার। মঙ্গলবার (১২ জুলাই) বিকালে বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার তার প্রধান লক্ষ্যগুলোর বিষয়ে বলেন, নিত্যপণ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ করতে চান, ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্য ধরে রাখতে চান, পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতে চান।

তিনি বলেন, ‘এখন মূল্যস্ফীতি যে পর্যায়ে এটা বাজারে অতিরিক্ত টাকার সরবরাহের কারণে আসেনি বরং আমদানি করা পণ্যের মূল্য বেশি সে কারণে এসেছে। আমার দ্বিতীয় লক্ষ্য হলো এক্সচেঞ্জ রেটকে একটি সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা। সাধারণত এক্সচেঞ্জ রেট নির্ভর শর্ট টার্মে কত ইনফ্লো হলো আর কত আউটফ্লো হলো তার ওপর। যেহেতু বর্তমানে আমাদের আদানির পরিমাণ বেশি সে কারণে আমাদের টাকা এডজাস্ট করতে হচ্ছে। অতএব এটা ঠিক করাই হবে আমার কাজ।’

তিনি বলেন, ‘কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলার দাঁড়িয়েছিল। অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তব্যেও বলেছেন, গম, গ্যাস, সারের মতো আটটি পণ্য একই পরিমাণ আমদানি করতে আমাদের ৯ বিলিয়ন ডলার বেশি খরচ করেছি। সেকারণে রিজার্ভের ওপর চাপ পড়েছে। সেটা ঠিক করা আমাদের তৃতীয় দায়িত্ব।’

ব্যাংকের বেঁধে দেওয়া সুদহার তুলে নেওয়া হবে কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ক্যাপ উঠে গেলেই যে সুদের হার কমবে, এমনটি নয়। আমরা বিনিয়োগ বাড়াতে চাই, প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিও করতে চাই। অর্থাৎ আমাদের লক্ষ্য হলো সাপ্লাইচেইন ঠিক রেখে ইনফ্লেশন নিয়ন্ত্রণ করা। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকারের অর্থবিভাগ একসঙ্গে কাজ করলে এটা সম্ভব হবে। লেডিং রেটে ক্যাপ আছে কিন্তু ডিপোজিটে ক্যাপ নেই। লেডিং রেটে যে ক্যাপ আছে এটার বিষয়ে দুই বছর আগে নির্ধারণ করা হয়েছিল। এবিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বোর্ড সিদ্ধান্ত নিবেন।’


অন্যান্য সংবাদ