বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী প্রকৌশলী সাইদুর রহমান ষড়যন্ত্রের শিকার আমরা ক্ষমতা হস্তান্তরে প্রস্তুত: প্রধান উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা হবে ৯৩৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা ব্যয়ে দুই জাহাজ কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার প্রথম সপ্তাহে কোটি টাকা ছাড়িয়েছে মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান-অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এশিয়া কাপের দল ঘোষণা প্রধান উপদেষ্টা আগামীকাল জুলাই ঘোষণাপত্র উপস্থাপন করবেন মাইলস্টোন ট্রাজেডি: রোগীদের দেখতে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে প্রধান উপদেষ্টা শীঘ্রই নতুনভাবে আসছে passnotebd.com প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব বাড়ছে ক্যামিকেলের কারণে নদীর পানি ব্যবহারের অয্যেগ্য প্রকাশিত সংবাদের যুবদল নেতা হাজী কাওছারের প্রতিবাদ

১৩ লাখ টাকা ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে ই-অরেঞ্জ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬৯ জন দেখেছেন
আপডেট : আগস্ট ২৬, ২০২১

অভিযান চালিয়ে ভ্যাট নিরীক্ষা গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর উদঘাটন করেছে যে, ই-অরেঞ্জ অনলাইন শপিং প্রতিষ্ঠান  ১৩ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে । একই সঙ্গে ভ্যাট আইনে তাদের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান। তিনি  বলেন, রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত ই-অরেঞ্জ অনলাইন শপিং প্রতিষ্ঠানের অফিসে অভিযান চালিয়ে ১৩ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকি উদঘাটন করেছে ভ্যাট গোয়েন্দারা। ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ পাওয়ায় আজই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ভ্যাট আইনে মামলা করা হয়েছে।

 

ভ্যাট গোয়েন্দা জানায়, রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত ই-অরেঞ্জ অনলাইন শপিং প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ১৩ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকি উদঘাটন করে ভ্যাট গোয়েন্দারা।

প্রতিষ্ঠানটির গুলশান-১ এর কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ভ্যাট গোয়েন্দা দেখতে পায়, ই-অরেঞ্জ, অনলাইন প্লাটফর্মে বিভিন্ন পণ্য বিক্রয় করে। কিন্তু তাদের প্রাপ্ত কমিশনের ওপর আরোপণীয় ভ্যাট যথাযথভাবে জমা দেন না। বিপুল পরিমাণ সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে গত ৮ জুন ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদফতর উপ-পরিচালক তানভীর আহমেদের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় প্রতিষ্ঠানের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন উপস্থিত ছিলেন। অভিযানকালে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি করে হিসাব বিবরণী জব্দ করা হয়।

 

যেখানে দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি একটি নির্দিষ্ট মেয়াদে মোট ২৪৫ কোটি ৭৫ লাখ ৫৩ হাজার ২১৫ টাকার সেবা ও পণ্য ক্রয় করে। আর ২৪৯ কোটি ৬৩ লাখ ৪৭ হাজার ৭১০ টাকার সেবা/পণ্য বিক্রয় করে। যেখান থেকে ই-অরেঞ্জের কমিশন আসে ৩ কোটি ৮৭ লাখ ৯৮ হাজার ৪৯৫ টাকা। প্রাপ্ত কমিশনের ওপর ৫ শতাংশ হারে মোট ভ্যাটের পরিমাণ ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৯২৫ টাকা প্রযোজ্য হলেও প্রতিষ্ঠানটি মাত্র ৬ লাখ ২৩ হাজার ৭৬৭ টাকা পরিশোধ করেছে। অর্থাৎ অনলাইন শপিং প্রতিষ্ঠানটি প্রকৃত বিক্রয় তথ্য গোপন করে সরকারের ১৩ লাখ ১৬ হাজার ১৫৮ টাকা ভ্যাট ফাঁকি হয়েছে।

 

ভ্যাট গোয়েন্দা আরও জানায়, বিক্রয় তথ্য গোপন ও ভ্যাট ফাঁকির সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে ই- অরেঞ্জ ভ্যাট আইন লঙ্ঘন করায় মামলাটি দায়ের হয়েছে। মামলার প্রতিবেদন এখতিয়ারাধীন ঢাকা উত্তরের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটে উত্তরে পাঠানো হয়েছে।


অন্যান্য সংবাদ