বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী প্রকৌশলী সাইদুর রহমান ষড়যন্ত্রের শিকার আমরা ক্ষমতা হস্তান্তরে প্রস্তুত: প্রধান উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা হবে ৯৩৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা ব্যয়ে দুই জাহাজ কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার প্রথম সপ্তাহে কোটি টাকা ছাড়িয়েছে মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান-অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এশিয়া কাপের দল ঘোষণা প্রধান উপদেষ্টা আগামীকাল জুলাই ঘোষণাপত্র উপস্থাপন করবেন মাইলস্টোন ট্রাজেডি: রোগীদের দেখতে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে প্রধান উপদেষ্টা শীঘ্রই নতুনভাবে আসছে passnotebd.com প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব বাড়ছে ক্যামিকেলের কারণে নদীর পানি ব্যবহারের অয্যেগ্য প্রকাশিত সংবাদের যুবদল নেতা হাজী কাওছারের প্রতিবাদ

সবাই বলে জরুরি-পুলিশ অসহায়: আইজিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১১০ জন দেখেছেন
আপডেট : জুলাই ৮, ২০২১

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, মহামারি করোনার সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত চলমান ‘কঠোর লকডাউনে’ বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে সবাই জরুরি কাজের কথা বলে রাস্তায় বের হলে পুলিশ ও রাষ্ট্র অসহায় হয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির আয়োজনে ‘লকডাউনে’ ক্ষতিগ্রস্ত হতদরিদ্রদের মধ্যে খাবার ও নগদ ৫০০ টাকা সহায়তা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসিলাম, এফবিসিসিআই’র সভাপতি জসিম উদ্দিন প্রমুখ।

আইজিপি বলেন, আজ গুলশানে অনেক ট্রাফিক, প্রত্যেকে জরুরি কাজের কথা বলে বের হচ্ছেন। জরুরি কাজের কথা বলে যদি ১৬-১৮ কোটি মানুষের প্রত্যেকে রাস্তায় বের হয়ে যায় তাহলে আমরা অসহায় হয়ে পড়ি, রাষ্ট্র অসহায় হয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে আপনাকে সতর্ক হতে হবে, আমরা সবাই মিলেই কিন্তু রাষ্ট্র। দয়া করে কেউ বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হবেন না।

অনেকের বাসায় থাকতে ভালো লাগে না, বাসায় বিরক্ত লাগে বলে বাইরে বের হচ্ছেন। অনেকে আবার ‘লকডাউন’ কেমন হচ্ছে তা দেখার জন্য বের হচ্ছেন। দয়া করে এ কাজগুলো করবেন না। আসেন আমরা সবাই মিলে দেশটাকে নিরাপদ করি। আমরা বের হয়ে আক্রান্ত হবো এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আক্রমণ করবো এটা ঠিক না।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের স্থায়ীত্ব নির্ভর করছে আমাদের প্রত্যেকের আচরণের ওপর। দুই সপ্তাহ বাসায় বসে থাকা খুব বেশি কিছু না, যদি এর জন্য আমরা আগামী ৫০ বছর পর্যন্ত ভালো থাকতে পারি। দয়া করে রাস্তাঘাটে ভিড় করবেন না, জরুরি কাজ একটু কমান। এ মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘায়িত করবো কিনা সেই সিদ্ধান্ত আমাদের।

স্বচ্ছল ব্যক্তিদের সাধ্যমতো মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে পুলিশ প্রধান বলেন, ঢাকায় দুই কোটি মানুষ বসবাস করে। প্রতিটি পরিবারে পাঁচজন করে সদস্য থাকলে সারা ঢাকায় ৪০ লাখ পরিবার বসবাস করে। যদি ৪০ লাখ পরিবার এক প্লেট করে ভাত দেয় তাহলে আপনারা ৪০ লাখ মানুষের মুখে খাবার তুলে দিতে পারবেন। দুর্যোগের দিনে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের রাষ্ট্রীয় কর্তব্য, ধর্মীয় কর্তব্য।

 


অন্যান্য সংবাদ