রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী প্রকৌশলী সাইদুর রহমান ষড়যন্ত্রের শিকার আমরা ক্ষমতা হস্তান্তরে প্রস্তুত: প্রধান উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা হবে ৯৩৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা ব্যয়ে দুই জাহাজ কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার প্রথম সপ্তাহে কোটি টাকা ছাড়িয়েছে মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান-অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এশিয়া কাপের দল ঘোষণা প্রধান উপদেষ্টা আগামীকাল জুলাই ঘোষণাপত্র উপস্থাপন করবেন মাইলস্টোন ট্রাজেডি: রোগীদের দেখতে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে প্রধান উপদেষ্টা শীঘ্রই নতুনভাবে আসছে passnotebd.com প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব বাড়ছে ক্যামিকেলের কারণে নদীর পানি ব্যবহারের অয্যেগ্য প্রকাশিত সংবাদের যুবদল নেতা হাজী কাওছারের প্রতিবাদ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চিরশায়িত হাসান আজিজুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : নভেম্বর ১৬, ২০২১

বরেণ্য কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে  । মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটায় তার মরদেহ সমাহিত করা হয়।

এর আগে বেলা ১১টায় মরদেহ বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে আনা হয়। সেখানে বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দুপুর ১২টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা জানান শিক্ষক-বুদ্ধিজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষ। দেড়টায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়া ও অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, তার ছেলে ইমতিয়াজ হাসান মৌলি উপস্থিত ছিলেন।

বরেণ্য কথাসাহিত্যিক ও আগুন পাখির লেখক হাসান আজিজুল হকে সোমবার (১৫ নভেম্বর) রাত সোয়া ৯টার দিকে নিজ বাসভবনে মারা যান।

মৃত্যুর খবরে স্থানীয় সাংসদ, রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, শিল্পী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে ছুটে আসেন।

হাসান আজিজুল হক ১৯৩৯ সালে ভারতের বর্ধমান জেলার যব গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন বিভাগের শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। ২০০৪ সালে প্রফেসর হিসেবে অবসরগ্রহণ করেন।

সাহিত্যে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭০ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পান। ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদকে এবং ২০১৯ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।

 


অন্যান্য সংবাদ