বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৪:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী প্রকৌশলী সাইদুর রহমান ষড়যন্ত্রের শিকার আমরা ক্ষমতা হস্তান্তরে প্রস্তুত: প্রধান উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা হবে ৯৩৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা ব্যয়ে দুই জাহাজ কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার প্রথম সপ্তাহে কোটি টাকা ছাড়িয়েছে মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান-অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এশিয়া কাপের দল ঘোষণা প্রধান উপদেষ্টা আগামীকাল জুলাই ঘোষণাপত্র উপস্থাপন করবেন মাইলস্টোন ট্রাজেডি: রোগীদের দেখতে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে প্রধান উপদেষ্টা শীঘ্রই নতুনভাবে আসছে passnotebd.com প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব বাড়ছে ক্যামিকেলের কারণে নদীর পানি ব্যবহারের অয্যেগ্য প্রকাশিত সংবাদের যুবদল নেতা হাজী কাওছারের প্রতিবাদ

চকবাজারে আকর্ষনীয় বাহারী ইফতারীর বাজার

রিপোর্টারের নাম : / ৪ জন দেখেছেন
আপডেট : মার্চ ২৪, ২০২৩

পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে হরেক রকম ইফতার সামগ্রী নিয়ে দোকান সাজিয়েছেন পুরান ঢাকার দোকানিরা। এসব দোকানে ফালুদা, ফিরনি, লাবাং, মাঠা ও কলিজা ভুনাসহ মিলছে অজস্র ইফতার সামগ্রী। তবে সবকিছু ছাপিয়ে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ৭৮ বছর আগে শুরু হওয়া ‘বড় বাপের পোলায় খায়’ এই বিশেষ খাবারের দোকান ঘিরে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ খাবারের চাহিদা যেন বেড়েই চলছে।

শুক্রবার (২৪ মার্চ) চকবাজারের শাহী জামে মসজিদের সামনের ঐতিহ্যবাহী এ ইফতার বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

গত বছর ‘বড় বাপের পোলায় খায়’ ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। তবে এ বছর তা ২০০ টাকা বেড়ে কেজি প্রতি ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

দোকানিরা বলছেন, ১২টি পদ যেমন- কোয়েলের মাংস ও কলিজা, খাসির কলিজা, মগজ ও দেশি মুরগির ডিম ও মশলার সংমিশ্রণে তৈরি হয় ‘বড় বাপের পোলায় খায়’৷ সর্বনিম্ন ১০০ টাকা থেকে শুরু করে বিক্রি হচ্ছে এই বিশেষ খাবার।

চকবাজারের শাহী জামে মসজিদের সামনে ‘বড় বাপের পোলায় খায়’ বিক্রেতা মাহমুদ হোসেন বলেন, গত বছর আমরা ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি; এ বছর দাম ৮০০ টাকা। সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় এ খাবারের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে দাম বাড়লেও বিক্রি কমেনি বলেও জানান তিনি।

লালবাগ থেকে ইফতার সামগ্রী কিনতে আসা শরীফ বলেন, ‘বড় বাপের পোলায় খায়’ একটি মুখরোচক খাবার। আমার পরিবারে মা-বাবা ও ভাই-বোনসহ সবাই এই খাবারটি পছন্দ করেন। পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসে ইফতার করার সময় এই খাবারটি রাখতেই হয়। গত বছর ৬০০ টাকা দিয়ে কিনলেও এ বছর দাম বেশি নিচ্ছে।

কেরানীগঞ্জ থেকে ইফতার সামগ্রী কিনতে আসা জুনাইদ আহমেদ বলেন, আমি কেরানীগঞ্জ থেকে ইফতার সামগ্রী কিনতে এসেছি। কিন্তু প্রতিটি আইটেম দাম অতিরিক্ত। ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও অনেক খাবার কিনতে পারছি না। যেভাবে সবকিছুর দাম বাড়ছে তাতে সামনে আরও সমস্যা হতে পারে। ১০০০ টাকা নিয়ে বাজারে এসেও তেমন কিছুই কিনতে পারিনি।


অন্যান্য সংবাদ